সর্বাবস্থায় আল্লাহর সাহায্য কামনার গুরুত্ব

আল্লাহতায়ালা মানুষকে দুর্বল করে সৃষ্টি করেছেন। তাই জীবনের সবক্ষেত্রে মানুষ আল্লাহর মুখাপেক্ষী। এটা কোরআনেরও কথা। তাই মানুষের কর্তব্য হলো, সর্বাবস্থায় মহান আল্লাহতায়ালার কাছে কল্যাণ প্রার্থনা করা এবং যাবতীয় অকল্যাণ থেকে মুক্তি চাওয়া। কেননা তিনি মানুষকে তার কাছে প্রার্থনা করতে বলেছেন এবং তা কবুল করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে কুদসিতে বলা হয়েছে, ‘বান্দা যখন আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করে আমি অবশ্যই তাকে তা দেই। আর যখন আমার কাছে আশ্রয় চায়, আমি তাকে আশ্রয় দান করি।’

বিশেষজ্ঞ আলেমদের অভিমত হলো, আল্লাহতায়ালার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা শ্রেষ্ঠতম ইবাদত। যে যত বেশি আল্লাহর ইবাদতকারী, সে তত বেশি তার আশ্রয় গ্রহণকারী। তাই দেখা গেছে, দুনিয়ায় প্রেরিত নবী-রাসূলরা আল্লাহর কাছে বেশি বেশি আশ্রয় চাইতেন। বিখ্যাত অলি-আউলিয়াদের অভ্যাসও এমন ছিল। এ বিষয়ে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে, হজরত নুহ (আ.) বলেন, ‘হে আমার রব! আমার জানা নেই এমন কোনো বিষয় প্রার্থনা করা থেকে আমি তোমার কাছেই আশ্রয় চাচ্ছি।’ -সূরা হুদ : ৪৭

কোরআনের বিভিন্ন জায়গায়, আলাদা আলাদাভাবে হরজত ইউসুফ (আ.), হজরত মুসা (আ.) ও হজরত মরিয়ম (আ.)-এর ঘটনা বিবৃত হয়েছে। ওই সব ঘটনায় দেখা যায়, তারা প্রত্যেকেই বিভিন্ন সময়ে, নানাবিধ সমস্যা-সঙ্কটে মহান আল্লাহর আশ্রয় লাভে বিনম্র প্রার্থনা করেছেন।

শেষ নবী হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) সর্বদা আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষায় আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। এ মর্মে কোরআনে কারিম ও হাদিসে অসংখ্য আয়াত, দোয়া ও বাক্য বর্ণিত রয়েছে। তিনি বলতেন, ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে দারিদ্র্য, কুফুরি, শিরকি, নেফাকি, যশ-খ্যাতি ও লোক দেখানো ইবাদত থেকে পানাহ চাই।’ –সহিহ বোখারি

দরিদ্রতা ও মাত্রাতিরিক্ত সম্পদ- উভয়ই অকল্যাণের বাহন। তাই নবী করিম (সা.) এসবের খারাবি ও অনিষ্টতা থেকেও আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। দুনিয়া ও জীবন-মরণের ফেতনা এবং দুশ্চিন্তা, পেরেশানি থেকে আল্লাহর কাছে নামাজ শেষে পানাহ চাইতেন। উপকারবিহীন জ্ঞান, ভয়ভীতিহীন অন্তর, অতৃপ্ত হৃদয় এবং প্রত্যাখ্যাত দোয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় কামনা করতেন। তিনি সাহাবিদেরও আল্লাহর কাছে আশ্রয় গ্রহণের জন্য উৎসাহ দিতেন এবং এতদসংক্রান্ত বিভিন্ন দোয়া শেখাতেন। মানুষ হিসেবে আমাদেরও উচিৎ এমন অভ্যাসের অনুগামী হওয়া।

এ কথা সর্বজনবিদিত যে, শয়তান মানুষের চির শত্রু। মানুষের ক্ষতি ও অনিষ্ট সাধনে সে সদা তৎপর। শয়তান মানুষের ঘুমের আঁধারেও ক্ষতিসাধনে সচেষ্ট থাকে। তাই শয়তানের যাবতীয় অনিষ্টতা থেকে বাঁচতে আল্লাহর আশ্রয় গ্রহণ অতি প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, হে প্রভু! আমি তোমার কাছে শয়তানদের কুমন্ত্রণা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।’ -সূরা মোমিনুন: ৯৭

উপরোক্ত আয়াত ছাড়াও আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমের সর্বশেষ দুইটি সূরা অবতীর্ণ করেছেন। যেখানে জিন ও মানব শয়তানের অনিষ্টতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে। এভাবেই দয়াময় আল্লাহতায়ালা তার প্রিয় সৃষ্টি মানুষকে শয়তানের ধোঁকা ও খপ্পর থেকে বাচাঁতে নানা উপায় বলে দিয়েছেন। চিন্তাশীল ও বুদ্ধিমান মানুষের জন্য এসবে রয়েছে শিক্ষা।

ইসলাম এতিম ও বিধবার প্রতি সহানুভূতিশীল

ইসলামপূর্ব যুগে এতিম ও বিধবাদের কোনো অধিকার সমাজে প্রতিষ্ঠিত ছিল না। বাবা মারা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসহায় সন্তানদের প্রতি শুরু হতো অত্যাচার-অবিচার ও জুলুম-নিপীড়ন। তাদের অধিকার দেওয়া তো হতোই না, বরং এতিম শিশুদের জন্য বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ কেড়ে নেওয়ার জন্য শুরু হতো ষড়যন্ত্র। অনুরূপভাবে স্বামী মারা যাওয়ার পর বিধবা স্ত্রী মানুষের কটু কথার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতো। স্বামীহারা অসহায় নারী অপমান ও লাঞ্ছনার শিকার হয়ে জীবন-যাপন করত। এতিমদের অধিকার ও মর্যাদা পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় উল্লেখ হয়েছে। তাদের ধন-সম্পদ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তাদের অধিকার নিয়ে কেউ যেন অবহেলা না করে সে জন্য বার বার সতর্কবাণী উচ্চারিত হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে- ‘এতিমদের তাদের সম্পদ বুঝিয়ে দাও। খারাপ মালামালের সঙ্গে ভালো মালামালের অদলবদল করো না। আর তাদের ধন-সম্পদ নিজেদের ধন-সম্পদের সঙ্গে সংমিশ্রণ করে তা গ্রাস করো না। নিশ্চয় এটা বড়ই মন্দ কাজ।’ সূরা নিসা, আয়াত ২। এই আয়াতে এতিমদের তাদের সব ধরনের অধিকার ও পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এতিমদের সম্পদ নিজের সম্পদের সঙ্গে মিলিয়ে ভোগদখলের দুরভিসন্ধি করতে নিষেধ করা হয়েছে। অবশ্য যদি কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা অভিভাবক এতিমদের উপকারের উদ্দেশ্যে নিজের মালামালের সঙ্গে এতিমদের মালামাল মিলায় তাহলে তা বৈধ। পবিত্র কোরআনের অন্য আয়াতে এতিমদের ধন-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারিত হয়েছে। মহান আল্লাহ বলছেন, ‘যারা এতিমদের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা নিজেদের পেটে আগুনই ভর্তি করছে এবং সত্বরই তারা অগ্নিতে প্রবেশ করবে।’ সূরা নিসা, আয়াত ১০। বিখ্যাত হাদিস বিশারদ সাহাবি হজরত আবু হোরায়রা রা.  বলেন, বিধবা ও অসহায়দের যারা অভিভাবক হবে এবং দায়-দায়িত্ব পালন করবে তাদের সম্পর্কে রসুল সা. বলেন, ‘বিধবা ও অসহায়দের তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জেহাদকারীর মতো’ হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি বলেন, আমার ধারণা রসুল সা. এও বলেছেন যে, (বিধবা ও অসহায়দের তত্ত্বাবধানকারীর মর্যাদা) ওই ব্যক্তির মতো, যে অলসতা না করে সারারাত জেগে ইবাদত করে এবং ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন রোজা রাখে। বুখারি ও মুসলিম। হাদিসে ইরশাদ হচ্ছে- ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো এতিমের মাথায় হাত বুলাবে যেসব চুলের ওপর দিয়ে তার হাত অতিক্রম করবে এর প্রতিটির বিনিময়ে তার জন্য সোয়াব লেখা হবে। মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি।

দাড়ি রাখতে চান? জেনে নিন কী কিভাবে যত্ন নেবেন

কদিন ধরেই ভাবছিলেন দাড়ি রাখবেন। সাত-পাঁচ না ভেবে দাড়ি রেখেই দিলেন। শীতের কামড় থেকেউ একটু রক্ষা পাওয়া যাবে। কিন্তু দাড়ি রেখেই তো আর কাজ শেষ হয়ে যায় না। চুলের যেমন যত্ন নিতে হয়, তেমনি দাড়িরও যত্ন নিতে হয়। নইলে দেখবেন এই রুক্ষ, বিবর্ণ আর ময়লা দাড়ি নিয়ে আপনার বিপত্তির শেষ থাকবে না। জেনে নিন দাড়ির যত্ন নেবার ছোট্ট কিছু নিয়ম।

অনেকেই জানেন এই মাসটা হলো নো শেভ নভেম্বর। সবসময় ক্লিন শেভড থাকেন এমন মানুষও এই মাসে দাড়ি রাখছেন এবং কিছু টাকা দান করছেন পুরুষের ক্যান্সারের গবেষণায়। কারণ যেটাই হোক, আপনি যদি দাড়িটাকে বাড়তে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তাহলে দাড়ির যত্ন নেবার এই টুকিটাকিগুলো জেনে রাখা দরকার আপনারও।

১) চুলকানি সহ্য করুন। দাড়ি গজানোর প্রথম দিকে মুখ খুব চুলকাবে। কিন্তু দাড়ি গজানোর জন্য এটুকু আপনাকে সহ্য করে নিতেই হবে।

২) দাড়ি গজানোর জন্য বেশ কিছুটা সময় প্রয়োজন। দাড়ির দৈর্ঘ্য কমপক্ষে এক ইঞ্চি হবার আগ পর্যন্ত এটাকে ছাঁটবেন না।

৩) আপনি যদি দেখেন শেভিং বন্ধ করার পর ২-৩ মাস হয়ে গেছে অথচ এখনো আপনার ঠিকমতো দাড়ি গজাচ্ছে না, তাহলে হাল ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সবারই ভালোভাবে দাড়ি গজাবে না, এটাই স্বাভাবিক। ক্লিন শেভ করে ফেলুন।

৪) দাড়ি ছাঁটুন সঠিক উপায়ে। সেলুনে গিয়ে করতে পারেন। সাহস থাকলে নিজেও ছাঁটতে পারেন, তবে তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরী। তবে আপনার দাড়ি যতো বড় বা যতো ছোটই হোক না কেন, প্রতি দুই মাসে একবার ছাঁটা ভালো।

৫) দাড়ি পরিষ্কার রাখুন। তারমানে এই নয় যে ঘাম পরিষ্কার করছেন যে সাবান দিয়ে সেটাই ঘষে নেবেন দাড়িতে। চুলের শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। সপ্তাহে ২-৩বার শ্যাম্পু করুন আপনার দাড়িতে। শুধু তাই না, কন্ডিশনারও দিতে পারেন।

৬) দাড়িতে তেল দিন। শুনে অনেকেই আমার দিকে পচা ডিম ছুঁড়ে মারার প্রস্তুতি নিতে পারেন। কিন্তু পশ্চিমা দেশে দাড়িকে স্টাইলিশ এবং সুস্থ রাখতে অনেকেই বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত “বিয়ার্ড অয়েল” ব্যবহার করে থাকেন। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিয়ার্ড অয়েল দেখতে পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে নাও পাওয়া যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই তৈরি করে নিতে পারে দারুণ সুগন্ধি একটা বিয়ার্ড অয়েল। আমন্ড অয়েল বা নারিকেল তেলও দিতে পারেন। স্টাইলিং এর জন্য ব্যবহার করতে পারেন জেল এবং ওয়াক্স। আর হ্যাঁ, দাড়ি নিয়মিত আঁচড়ে নিতেও ভুলবেন না।

৭) দাড়িকে সুস্থ রাখুন খাবারের মাধ্যমে। এমন কোনো খাবার নেই যেটা দাড়ির জন্য বিশেষভাবে ভালো। তবে ব্যালান্সড ডায়েট সব ক্ষেত্রেই ভালো। আর চুলের জন্য যেসব খাবার ভালো সেগুলোও খেতে পারেন। খাবার সময়ে থাকুন সাবধান। খাওয়া শেষ হবার পর দাড়ি থেকে ভালো করে মুছে নিন খাবারের গুঁড়ো এবং উচ্ছিষ্ট।

যেসব বিষয়গুলো নারীদের যৌনাঙ্গের ক্ষতি করে

নারীদের ক্ষেত্রে তাঁদের যৌনাঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অমূল্য শরীরের অংশ। এই অংশটি অত্যন্ত স্পর্ষকাতর। তাই এই অংশের যত্নও অত্যন্ত সাবধানে নিতে হয়।কিন্তু একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৬০-৭০ শতাংশ নারীরা জানেনই না কীভাবে নিজের শরীরের সবচেয়ে মূল্যবান অংশটির যত্ন ও দেখভাল করতে হয়। এমনকী খুব সাধারণ কিছু জিনিস আছে, যার জেরে নারীদের যৌনাঙ্গ আহত হতে পারে। তা না জেনেই বহু নারী তার ব্যবহার করে চলেছে। এর ফলে বিভিন্ন ধরণের সংক্রমণ, রোগ দানা বাঁধে নারীদের শরীরে।কী সেই অভ্যাস যার ফলে মহিলারা নিজেদের অজান্তেই শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর অংশটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন?

১. অলঙ্করণ
অনেকে নাক ও কানের মতো যৌনাঙ্গেও ছিদ্র করিয়ে গহনা পরেন। আর এই ধরণের ধাতুর জেরে আপনার যৌনাঙ্গে প্রাণঘাতী সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও যৌন মিলনের ক্ষেত্রে এই ধরণের গয়না প্রচণ্ড অসহ্য যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে।

২. হেয়ার রিমুভাল ক্রিম
মহিলারা যৌনাঙ্গে হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ব্যবহার করেন। কিন্তু এই ধরণের কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম যৌনাঙ্গে ও তার আশে পাশের জায়গায় অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে। সংবেদনশীল চামড়া ফুলেও যেতে পারে।

৩. বারবার ধোয়া
অনেকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে গিয়ে বারবার জলের ছিটে দিয়ে যৌনাঙ্গ ধুতে থাকেন। যা কখনওই উচিত নয়। এতে যৌনাঙ্গের প্রাকৃতিক তৈলাক্ত পদার্থ ধুয়ে গিয়ে জায়গাটিকে শুষ্ক ও রুক্ষ করে দেয়, ফলে ওই জায়গায় চুলকুনি বা ঘা হতে পারে।

৪. অতিরিক্ত সাবানের ব্যবহার
জলের মতো সাবানও যৌনাঙ্গকে শুষ্ক করে দেয়। এর ফলে ঘায়ের মতো সমস্যা তো হয়ই পাশাপাশি কেমিক্যাল থাকায় অ্যালার্জি বা সংক্রমণের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

৫. ট্যাটু
আজকালকার ফ্যাশনে বিকিনি লাইনে ট্যাটু করাটা খুব জনপ্রিয় হয়েছে। কিন্তু এর ফলে সংক্রমণ হতে পারে। কারণ ট্যাটু মেশিনের ছুঁচে একাধিক ব্যাকটেরিয়া থাকে। এর ফলে শুধু লালচে হওয়া বা যন্ত্রণা হওয়াই নয় সারাক্ষণ জ্বালা হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যায়।

৬. ফল সবজির ব্যবহার
অনেকে যৌন আনন্দ উপভোগ করার জন্য যৌনাঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ফলের প্রয়োগ করেন। কিন্তু ফল বা সবজির খোসায় একাধিক জীবানু থাকে যা যৌনাঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।

৭. চামড়া আঁকড়ে থাকা প্যান্ট
খুব টাইট জিন্স পরলে যৌনাঙ্গ আহত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অক্সিজেনের অভাব ও মোটা কাপড় হওয়ায় ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় যৌনাঙ্গে। ফল সংক্রমণ।
৮. অতিরিক্ত সাইকেল চালানো
সাইকেল বা বাইক চালানোর সময় শক্ত সিটের জায়গায় বহুক্ষণ ধরে যৌনাঙ্গ আবদ্ধ হয়ে থাকে, এর থেকে ঘা, সংক্রমণ হতে পারে।

৯. বাথটপে
বাথটপে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে স্থির জলে যৌনাঙ্গ ভিজে থাকে এতে যৌনাঙ্গে ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে। ফলে সংক্রমণ হয়।

শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিকল্প নেই

একটি জাতির সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার বিকল্প নেই। সঙ্গত কারণেই যদি দেশের শিক্ষা খাতে অস্তিরতা সৃষ্টি হয়, তা যৌক্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সমাধান করা জরুরি। বলা বাহুল্য যে, সাম্প্রতিক সময়ে অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের শিক্ষাঙ্গন। মেডিকেল কলেজ ভর্তিচ্ছুরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে, অন্যদিকে আন্দোলনের নামে শিক্ষাক্ষেত্রে অস্থিতিশীল পরিবেশের উদ্ভব ঘটিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে প্রাথমিক শিক্ষকরাথ এমন অভিযোগে ‘কতিপয়’ শিক্ষকের জেলাভিত্তিক তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে সরকার। যদিও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনার পর আন্দোলন থেকে সরে দাবি পূরণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। গণশিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের দাবির বিষয়টি বেতন বৈষম্য নিরসনসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উত্থাপন করার আশ্বাস দিয়েছেন। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের জের ধরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ হওয়ার মতোও ঘটনা ঘটেছে। যা সার্বিক অর্থে শিক্ষা খাতে নানামাত্রিক অস্থিরতারই ইঙ্গিতবাহী।

এটা সত্য যে, সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অবশ্যই গণতান্ত্রিক। কিন্তু আন্দোলনের নামে যেন কোনো প্রকার অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা দরকার। একই সঙ্গে আমরা মনে করি, মেডিকেল কলেজে ভর্তিচ্ছুরা যখন পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন করছে, সেটা আমলে নিয়ে সরকার বিষয়টি সমাধান করবে।
আর তা সুশিক্ষার যথাযথ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থেই জরুরি। এ ছাড়া শিক্ষকদের আন্দোলন ও কর্মবিরতির মতো ঘটনা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের পথকে বাধাগ্রস্ত করে যা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি তাদের দাবিকে সরকারও আন্তরিকভাবে দেখবে এমনটি সঙ্গত। সবারই এটা আমলে নেয়া প্রয়োজন, যেন শিক্ষার্থীরা ক্ষতির শিকার না হয়। নিশ্চিত করেই বলা যায়, দেশের শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা সৃষ্টি হলে ক্লাস ও পরীক্ষার সময় পিছিয়ে যায়। যে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া কঠিন। বর্তমানে সার্বিক এই পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। যা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে সরকার সমাধান করবে এমনটি প্রত্যাশিত।

আমরা মনে করি, শিক্ষা বিস্তারে এবং দেশের সর্বস্তরে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে সরকার সচেষ্ট। একই সঙ্গে উল্লেখ্য যে, সরকার বিভিন্ন সময়েই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে যার ফলে শিক্ষা খাত এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটাও সত্য, যখন বিভিন্ন্নভাবে শিক্ষা খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে তখন তার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার গতিশীলতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। যা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার। এ ছাড়া ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, প্রশ্নফাঁস, আন্দোলনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলো মাঝেমধ্যে যেভাবে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে তা আশঙ্কাজনক।

আমরা সরকারকে বলতে চাই, এমন উদ্যোগ নিশ্চিত করতে হবে যেন, সামগ্রিকভাবেই দেশের শিক্ষা খাত এগিয়ে যায়। মনে রাখা দরকার, শিক্ষা খাত বাধাগ্রস্ত হলে কোনো অর্জনই কাজে আসবে না। আমরা চাই, দেশের শিক্ষা পরিস্থিতিকে সরকার আন্তরিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে উদ্ভুত যেকোনো যৌক্তিক দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তা সমাধান করতে সরকার কোনো প্রকার দ্বিধা করবে না। একই সঙ্গে সরকার শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে যে পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করছে এবং সার্বিকভাবে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছেথ তা বিভিন্ন সময়েই সংঘর্ষ, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংস পরিস্থিতি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ফলে যাঁরা এই ধরনের অস্থিতিশীল কর্মকা-ের সঙ্গে জড়িত তাদের প্রতি কোনো অনুকম্পা নয়, বরং প্রতিরোধে নিতে হবে কঠোর পদক্ষেপ। সুশিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক এই দেশ, এমন প্রত্যাশা সবার।

চাকরির নাম করে হোটেলে দেহব্যবসায় নিয়োগ

চাকরির কথা বলে গ্রাম থেকে শহরে নিয়ে আসা হয় উঠতি বয়সের দরিদ্র তরুণীদের। আর শহরে এনে জোড় করে নামিয়ে দেয়া হয় দেহব্যবসায়। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মহিষাদলে।

অভিযোগ, চাকরি দেয়ার নাম করে বনগাঁ থেকে তিন নারীকে নিয়ে আসা হয়েছিল মহিষাদলে। কিন্তু তাদের পরে দেহব্যবসায় নামিয়ে দেন হোটেলের ম্যানেজার।

এই অভিযোগে কার্তিক বেরা নামে ওই হোটেল ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে মহিষাদল থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মহিষাদলের কাপাসএড়ার একটি হোটেলে অভিযান চালায় তারা। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ওই তিন নারীকে।

অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হলদিয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে ওই তিন নারীকে হাওড়ার লিলুয়া হোমে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, হলদিয়া-মেচেদা ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কের দু’ধারে মহিষাদল থানা এলাকার হোটেলগুলোতে পুলিশকে মেনেজ করে চলছে রমরমা দেহব্যবসা। কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় আজ এ ব্যবসা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।

দিনে ৫০০ টাকার বেশি রিচার্জ নয়

ঢাকা: মোবাইল ফোনের দৈনিক রিচার্জ সীমা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার ৷ একটি সিমে দিনে ৫০০ টাকার বেশি রিচার্জ করা যাবে না, এমন বিধিনিষেধ আরোপের কথা ভাবছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বিটিআরসির এ প্রস্তাবনায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) কল বন্ধেই এমনটি করা হচ্ছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

গত ২১ অক্টোবর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে জয় অবৈধ কলের লাগাম টেনে ধরতে সিমের রিচার্জ মাত্রার একটা সীমা নির্ধারণের পরামর্শ দেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি অবৈধ পথে বিদেশ থেকে কল যাওয়া-আসার পরিমাণ বেড়ে গেছে।

বিটিআরসির তথ্যমতে, জুনে যেখানে বৈধভাবে গড়ে প্রতিদিন ১২ কোটি মিনিট আন্তর্জাতিক কল এসেছে, এখন তা কমে ৯ কোটির নিচে নেমেছে।

অবশ্য এ কল কমার পেছনে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটরদের একটা ভূমিকা আছে। গত ২৪ জুন থেকে দেশে আন্তর্জাতিক কল প্রবেশ করে সরকার ঘনিষ্ট ৭ আইজিডব্লিউ অপারেটরের সমন্বয়ে গঠিত আইজিডব্লিউ অপারেটর ফোরামের (আইওএফ) কমন ইন্টারন্যাশনাল পয়েন্ট (সিআইপি) দিয়ে।

অন্য ১৬টি আইজিডব্লিউ এদের মাধ্যমে ব্যবসা করে। আইওএফ বিটিআরসিকে না জানিয়ে হঠাৎ করে আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট দেড় সেন্ট থেকে বাড়িয়ে দুই সেন্ট করে। এতেও বৈধ পথে কলের সংখ্যা কমে যায়। রেট বাড়ানো হলেও আইজিডব্লিউ বাদে অন্য অংশীদারদের মধ্যে ( মোবাইল অপারেটর, ইন্টার এক্সচেঞ্জ অপারেটরদের (আইসিএক্স) ও বিটিআরসি) দেড় সেন্ট দরেই রাজস্ব ভাগাভাগি হচ্ছে।

বিটিআরসি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক কল রেটের একটা সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেয়ার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করেছে। বিটিআরসি চাইছে আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেটের সর্বোচ্চ সীমা এক দশমিক দুই সেন্ট হোক।

স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে ‘সঠিক’ ঘুম চাই

ঘুমের বহুমাত্রিক উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই। এককথায়, ঘুম ছাড়া মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকাই কঠিন। তাই যথাযথ ঘুম শরীরের জন্য নানা ধরনের উপকারিতা বয়ে আনার পাশাপাশি মানুষকে নানাবিধ অসুখ থেকেও মুক্ত রাখে। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের তারতম্যের কারণে মানুষে ভেদে স্মৃতিশক্তিরও তারতম্য হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের ব্রাইঘাম ও ওমেন্স হসপিটালের এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। ‘নিউরোবায়োলজি অব লার্নিং অ্যান্ড মেমোরি’ নামে একটি জার্নালে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় মোট ১৪ জনের উপর বিশ্লেষণ করা হয়। তাদেরকে বিভিন্ন ছবি ও তথ্য প্রদর্শন করে পরবর্তীতে তা মনে করার ক্ষমতা যাচাই করা হয়। এতে দেখা যায়, যারা আট ঘণ্টা ঘুমান তারা অন্যদের তুলনায় ভালো স্মৃতিশক্তির অধিকারী হন। বিশেষ করে মানুষের মুখ চেনা ও তাকে কোথায় প্রথম দেখেছেন এ ধরনের বিষয় তারা অন্যদের তুলনায় ভালোভাবে স্মরণ করতে পারেন।

এ বিষয়ে গবেষকদের একজন নিউরোসায়েন্টিস্ট জিয়ান এফ ডাফি বলেন, ‘আমরা জানি যে বিভিন্ন ধরনের স্মৃতিশক্তি ঘুমের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে। একাধিক গবেষণায় বিষয়টি দেখা গেছে। তবে মানুষের মুখ ও নাম মনে রাখার সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক আছে কিনা তা নিয়ে আগে কখনো গবেষণা করা হয়নি। এ শূন্যস্থান এবার পূরণ করা হলো।’

সূত্র : পিটিআই’র

২০০ কোটির ক্লাবে ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’

ভারতে ২০০ কোটির ক্লাবে  পা রাখল সালমান খানের ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’। মুক্তি পাওয়ার ১৪ দিনের মধ্যেই এই সাফল্য পেলো সিনেমাটি।

২০১৪ সালের ছবি ‘কিক’-এর পর এটি সালমানের তৃতীয় ছবি যা ব্যবসার অঙ্কে ২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল। এ বছর  মুক্তি পাওয়া তাঁর ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ও এই ক্লাবের সদস্য হয়েছে।

বলিউড ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ টুইট করে সালমান-সোনম কাপুর অভিনীত ছবির ব্যবসায়িক সাফল্যের কথা জানিয়ে লিখেছেন,  প্রেম রতন ধন পায়ো ভারতে ২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেল।

প্রসঙ্গত,  ‘প্রেম রতন ধন পায়ো’ দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর বাদে ফের জুটি বেঁধেছেন সালমান ও পরিচালক সূরজ বারজাতিয়া। ইন্ডিয়া টুডে।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কঠিন চীবর দান

জেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে বান্দরবানে পুরাতন রাজবাড়ি মাঠ থেকে কঠিন চীবর দানোৎসবের র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহর ঘুরে কেন্দ্রীয় বৌদ্ধবিহারে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে বুধবার রাতে বান্দরবানের কেন্দ্রীয় বৌদ্ধবিহারে ৩ দিনব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি।

এ সময় অন্যদের মধ্যে পার্বত্যাঞ্চলের অন্যতম বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু কেন্দ্রীয় বিহারের অধ্যক্ষ উচহ্লা ভান্তে, জেলা ও দায়রা জজ শফিকুর রহমান, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ক্যাসাপ্রুসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও ধর্মানুরাগীরা উপস্থিত ছিল। চীবর (কাপড়) ছাড়াও অনুষ্ঠানে ভান্তেদের মধ্যে চাল, টাকা, মোমবাতি, আগরবাতি ও নাস্তাসহ বিভিন্ন উপকরণ দান করা হয়।

প্রসঙ্গত, পুণ্যের আশায় কঠিন চীবর দানোৎসবে পাহাড়ের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারীরা একরাতের মধ্যে তুলা থেকে চরকায় ঘুরিয়ে সুতা তৈরি করেন। সেই সুতায় রঙ লাগিয়ে কাপড় বুনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পরিধানের জন্য তৈরি করা হয় চীবর (কাপড়)। পরের দিন নতুন সুতায় তৈরি করা চীবর ভিক্ষুদের মধ্যে দান করার নামই হচ্ছে কঠিন চীবর দান।